শনিবার, ৭ মে, ২০২২

কিছু না বলা কথা

।।श्री।। 

সন্ধ্যা ৬ টা বেজে ১৪ মিনিট।

২৪এ বৈশাখ, ১৪২৯। 

    অনেক দিন ধরে মনে কিছু কথা চেপে রেখেছি। বলতে পারছিলাম। আজ তা আর না বলে পারলাম না। এখন আমি এগারো কেলাসে পড়ছি। উচ্চ মাধ্যমিক। ইংরেজিতে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষ। তবে এই দু-বছরের শিক্ষার যাত্রা আর দুবছর নেই। আগামী আষাঢ়-শ্রাবণ মাসের দিকে হইত হবে আমাদের উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর তারপরই আসল খেলা শুরু। যতই বাস্তবা থেকে দুরে যাওয়ার চেষ্টা করি না কেন, তা ঠিক ভুতের মত পেছন থেকে উঁকি মারবেই আর পারলেই ঘাড় মটকাবে। আমি এখনো ভাবতেই পারছি না আমি হঠাৎ এতো বড় হয়ে গেলাম। যারা মনে করছ যে আমি ছোটবেলা ফিরে পাওয়া নিয়ে লিখছি, তাহলে বলে রাখি তোমরা ভুল ভাবছ। আমি এখন ছোটই আছি। এখনো আমার মনে এই পৃথিবীর জটিল হিংস্রতার বীজ রোপণ হয়নি। হঠাৎ এখন পৃথিবীর এই চাপ ক্রমেই অসহ্যকর পতিত হচ্ছে। আর পরিবার কিংবা বংশ হিসেবে যাদের বড় হিসেবে ধরা হয়, তাদের জীবন বাইরে থেকে যত সহজ পতিত হয়, বাস্তব ঠিক তার উলট। সরৎ বাবু বা ভানু সিংহ ঠিক যেমন করে তাদেরকে নিজেদের গল্পে যেভাবে তুলে ধরেছে তা ঠিক নয়। বংশের নাম রাখা হেতু এসব পরিবারের সন্তানদের যে চাপ দেওয়া হয়, তা কেউ বলে না। যাই হোক আমার কথা আসি। এখন জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়। আগামীতে আমার জীবন কিরূপ হবে তা এখনি সিধান্ত নেবেন বিধাতা। এখন আমার পিতা-মাতা আমাকে বলতে গেলে স্বাধীনতাই দিয়েছে, আমার যা পছন্দ তাই করতে। কিন্তু সমস্যা হয়ে দারায় সমাজ। এখন কিছু এঁচোড়ে-পাকা ছেলে বলবে, আমার জীবন আমার, তাতে অন্য কারোর অধিকার নেই। আমি আমার আমার মত চলব। আচ্ছা তাই যদি হয়, আমার একটা সরল প্রশ্নের উত্তর দেও, যখন তোমার জন্ম হয়, তখন কি তোমার বাব-মা তোমার থেকে অনুমতি নিয়েছিল? নাকি তুমি তোমার বাবা-মাকে বলেছিলে যে বাবামা তোমাদের বিয়ে হয়ে গেছে এবার তোমরা আমকে জন্মদেও? ওরে মুর্খের দল, তোমার জীবন তোমার নয়, এটা তোমার বাবা-মার ইচ্ছা মাত্র। তারা চাইলে তোমাকে জন্ম নাও দিতে পারত। আবার বেই মুর্খরা বলবে, তাহলে সমাজ যা বলে বলুক, আমি সমাজের কথা শুনব না। তা বাবা, তুমি ভাত খাও তো? খাও? ওটা কি তুমি চাষ করেছ? তুমি যে জামা পড় সেটা কি তুমি বানিয়েছ? এখন বলতেই পারো ওগুলোর জন্য ত আমি টাকাও দিয়েছি। মুর্খ, সব কিছু টাকা দিয়ে মাপা যায় না। আর যে টাকার এই দম্ভ তাও তোমার মা-বাবার। 

এখন এতো কিছুর বলার মুল কারণ বলি। বাংলাদেশের আর পাঁচটা বাপমার মত আমার বাপ-মার মনের অতল গহীনে ছেলেকে মেডিকেল পড়ানোর ইচ্ছা উঁকি দেয়। এবং তাতে আমার আপত্তি নেই। কারণ আমি আমার বাবা-মাকে তার সম্ভাবনা খুবি কম তা আগেই জানিয়ে রেখেছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারিং এর কথা উতলেই, তাদের কথা হল চেষ্টা কর বুয়েট-এর জন্য।  কিন্তু ভাই আমি বুয়েট পড়তে চি কিনা সেটা কেউ জানতে চাই নি। তাই আমি আজকে পাবলিক এর সামনে লিখিত আঁকারে ডিক্লেয়ার দিচ্ছি, আমি বুয়েটে পড়তে চাই না। আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাই। এর আলাদা কোন নির্দিষ্ট কারণ নেই। আমি শুধু বুয়েটে পড়তে চাই না। 

এইটুকুই। 

ও ভালো কথা এখন নতুন আলয়ে অধিষ্ঠিত হয়েছি। 

৩ বি, আপন হোয়াইট হাউস, সাগরধিঘিরপার, সিলেট। 

বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১

শ্বেতই শ্রেষ্ঠ।

।।श्री।।

 ৭ ২৬ সান্ধ্য। ৩০এ অঘ্রায়ন ১৪২৮।।

তো অবিশেষে সেই শ্বেতাঙ্গই হলো আমার ব্লগ।  সব রঙ তো শাদার থেকেই জন্মায়। আর সত্যম শিবম্ সুন্দরং। শিব সত্যের ন্যায় সর্বদা সুন্দর। আর সে সৌন্দর্য শ্বেত বর্ণের। তাই সেই শাদা রঙেই রাঙালাম আমার এই গল্পের দেওয়াল।



শনিবার, ২৯ মে, ২০২১

মনে হয়, নতুন রং লাগবে!

   ৬ : ২৫, অপরাহ্ন ।

   শনিবার, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। 

   আমার এই ব্লগের বেশ আমি কয়েকদিন আগেই বদলে এই আঁধার আচ্ছন্ন এক কালো বেশ দিয়েছিলাম। কিন্ত তাতে সামান্য সমস্যা হয়েছে। কিছু কিছু জাগায় লেখা গুলো সাদা এক বাক্সে আটকে যচ্ছিল। তাই ভাবছি এবার এটাকেও বদলাব। আপনাদের মতামত খুবই প্রয়োনীয়। তাই লিখুন আপনারা কেমন দেখতে চান আমার ব্লগ। আর সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিন এই ব্লগ।



সুখি হওয়ার আশ্চর্য্যকর কার্যকরী উপায়!!

৬ : ১০, অপরাহ্ন ।

শনিবার, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সুখি থাকার থেকেও সুখি না থাকাটাই যেন দায়। আপনি সুখি না হন, অসুখি হতে পারবেন না। না, না, না। আপনি সুখি না হলেও আপনাকে ওই সুন্দর ফিল্টার লাগিয়ে ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করতেই হবে, "  Hi, guys! কেমন আছেন সবাই? আজকের দিনটা খুবি সুন্দর। আর এই সুন্দর দিনে আমি শুনছি the one and only Salman Khan এর latest movie, "রাধে" এর "সিটি মার" শুনছি। আসলেই মনটা খুবিই শান্তি অনুভব করছি।" 

    আপনি জানেন না আপনার মনের কি হচ্ছে কিন্তু তারপরেও আপনাকে আর দশটা মানুষের মত Social media তে এসে, I am so happy, life টা খুবিই মজার বলতেই হবে। আরে ভাই, আমরা সবাই আলাদা। সবার সুখি থাকার রাস্তা আলাদা। আলাদা থাকতে দোষটা কথাই? বরং এই সবাই আমরা এক, এই ধারণাটাই আমাদেরকে সব থেকে আলাদা করে দিয়েছি। আর সে বিভাজন এতোটা ভয়াবহ যে তার কাছে ধর্ম, জাত ও বর্ণের বিভাজন ত নস্যি! আমরা সবাই আলাদা, এবং আলাদা থাকাই ভালো, যতক্ষণ না তার জন্য সমগ্র জাতি বা দেশের ক্ষতি হচ্ছে না।

    আর সুখের কথাই যদি বলতে হয়, তাহলে বলব ওরে মুর্খের দল, দুঃখ না থাকলে সুখ আসবে কিভাবে। দুঃখ থাকলেই মানুষ সুখের মর্ম বোঝে। সুতরাং আর ওই মিথ্যে সুখের মুখোশ না পরে সত্যিটা সিকার কর। দুঃখ না থাকলেই বুঝবি কিছু একটা গণ্ডগোল পেকেছে।


    আমারও কদিন ধরে মনটা খুব ভালো যাচ্ছে না। মনটা কেমন এক আজানা টানে ব্যকুল, অস্থির। তবে আমার মন শান্ত করার উপায় আমার জানা আছে। আমি ওই "Help me "পোস্ট করছি না। 

    যখনি মন আনছান-আনছান করে; মনকে বলি, ওরে আর কোনো চিন্তা নেই শরত এলো বলে। আবার দেখব কাশ ফুল, ফুটবে শিউলি গাছে, মা আসছে কদিন পরেই, মন যে তাই নাচে। হ্যাঁ, দুর্গা পুজো। দুর্গা পুজো আমেজটাই আলাদা। মায়ের মুখের হাসিটা দেখলেই মনটা কেমন যেন শান্ত-সাবলিল হয়ে যায়। মনে হয় আর কোন চিন্তা নেই, মা আছে ত সাথে। ওই শিউলি ফুলের গন্ধ, কাশ ফুলের শুভ্রা, ধুপ-ধ্বনি। পুরোটা মিলিয়ে সে এক আলাদাই মজা।

    আচ্ছা এ বছর পুজো কি দেখতে পাবো? মা, এ বছর কি পারব তোমার চরণে পুষ্প দিতে?

    আজ সকালে এক ঘণ্টাই ৪ বার ভুমিকম্প হল এই সিলেটে। তারপর আবার কিছুক্ষণ পর আবার ভুমিকম্প। রৌদ্রও যেন তার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। 

    মনটা আজ ফিরতে চাইছে ওই কাশ বনে, ঘ্রাণ পেতে চাইছে শিউলি-ধুপের।

An unknown mystery of nature


বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১

আমি বাঙালি, আমি গর্বিত আমি বাঙালি। I am Bangali, I am proud of being Bangali.

     ৪ : ১৫ | অপরাহ্ন

    ২৩এ বৈশাখ, ১৪২৮।

    আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আজ থেকে আমি আমার ব্লগ বাংলায় লিখব। আমি নিজে বাঙালি, আমার বন্ধুরাও তায়। আমরা বাংলাতেই কথা বলি। আর আমার ব্লগ যারা পড়ে তারাও বাঙালি। সুতরাং খামখা ইংরেজি আওড়ানোর দরকার বোধ করি নেই। তবে যদি দেখি যে আমার ব্লগ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌছে গেছে তখন দরকার পড়লে ইংরেজিকে না হয় ব্যবহার করা যাবে। ত আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, আমার এই সিধান্ততে আপনার কি মতামত? নিচে লিখে জানাবেন।